আশাবাদী হওয়া [ অল্পতুষ্টির মাত্রা বৃদ্ধি করুন ]

0
327

hope

লেখক: ড. খালিদ আবু শাদি | অনুবাদক: হাসান মাসরুর

১. আজকের আলোচ্য বিষয়ের ফায়দা

  • আশা কল্যাণ লাভের কারণ।
  • কাজ ও সফলতার ব্যাপারে মানুষ অনুপ্ৰাণিত হয়।
  • যেকোনো দুর্যোগে পজেটিভ দৃষ্টিভঙ্গি ও স্থিরতা পাওয়া যায়; যদিও আপনি তখন কঠিন মুসিবত ও মানসিক চাপে থাকেন।
  • নিরাশা ও ব্যর্থতার পর্দা ভেঙে যায়।
  • শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রতিরোধ প্রস্তুতি গ্রহণের ব্যাপারে উদ্যম তৈরি হয়।
  • আল্লাহ তাআলার ব্যাপারে ভালো ধারণা তৈরি হয়।
  • কঠিন বিষয়গুলোর মোকাবিলা ও উপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়।
  • আশাবাদী হওয়ার ক্ষেত্রে নবিজি (সা:)-এর আনুগত্য করা যায়।
  • ইচ্ছাকে শক্তিশালী করে লক্ষ্যে পৌঁছা যায়।
  • আশাবাদীর কাছ থেকে তার খুশি ও আনন্দ তার পরিবার ও সাথি-সঙ্গীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে অন্য মুসলিমকে আনন্দিত করার সাওয়াবও সে অর্জন করতে পারে।

২. কুরআনের আলো

কুরআনে এমন অনেক আয়াত বর্ণিত হয়েছে, যেখানে মানুষকে আশাবাদী করে তোলা হয়েছে। তাদের মাঝে আশার আলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং হতাশা ও নিরাশাকে সমূলে উৎপাটন করা হয়েছে। তার কিছু আয়াত উল্লেখ করা হলো:

  • ক্ষমার ব্যাপারে আশাবাদী হওয়া: বলুন, হে আমার বান্দাগণ, যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গুনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” [সুরা আজ-জুমার, ৩৯ : ৫৩]
  • সাহায্যের ব্যাপারে আশাবাদী হওয়া: “আর তোমরা নিরাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না। যদি তোমরা মুমিন হও, তবে তোমরাই বিজয়ী হবে।” [সুরা আলি ইমরান, ৩ : ১৩৯]
  • প্রতিদানের ব্যাপারে আশাবাদী হওয়া: “যখন তারা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, “নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তাঁরই সান্নিধ্যে ফিরে যাব।” [সুরা আল-বাকারা, ২: ১৫৬]

তারা সে সমস্ত লোক, যাদের প্রতি আল্লাহর অফুরন্ত অনুগ্রহ ও রহমত রয়েছে এবং এসব লোকই হিদায়াতপ্রাপ্ত।” [সুরা আল-বাকারা, ২ : ১৫৭]

  • অন্ধকারের পেছনে আলো এবং বিপদ আগমনের পর তা চলে যাওয়ার আশাবাদী হওয়া: “বিষয়টিকে তোমরা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর মনে করো না; বরং এটি তোমাদের জন্য কল্যাণকর।[সুরা আন-নুর, ২৪ : ১১]
  • ব্যাপক আশাবাদী হওয়া: বলুন, “আল্লাহর দয়া ও মেহেরবানিতে। সুতরাং এরই প্রতি তোমাদের সন্তুষ্ট থাকা উচিত।” [সুরা ইউনুস, ১০ : ৫৮]

৩. রাসুল (সা:) আমাদের আদর্শ

> নবিজি (সা:) শুভলক্ষণ দেখে বিস্মিত হতেন এবং কুলক্ষণ অপছন্দ করতেন। হালিমি (রা:) বলেন, এই দু’য়ের মাঝে পার্থক্য হলো, কুলক্ষণ বলা হয় আল্লাহর ব্যাপারে ধারণা করার মতো বাহ্যিক কোনো কারণ ছাড়াই মন্দ ধারণা করা। আর শুভলক্ষণ হলো, আল্লাহর ব্যাপারে ভালো ধারণা করা এবং এর মাধ্যমে নিজের মাঝে নতুন আশা জাগিয়ে তোলা। আর সাধারণভাবেই এটি একটি প্রশংসনীয় বিষয়।

অশুভ লক্ষণ বলতে কোনো বিষয়কে অশুভ মনে করা। আরবরা জাহিলি যুগে সর্বপ্রথম যে পাখিটি দেখত, তা যদি ডান দিক দিয়ে উড়ে যেত, তাহলে সফর শুভ ও নিরাপদ মনে করত। আর যদি তা বাম দিক দিয়ে উড়ে যেত, তাহলে তা অশুভ মনে করত এবং সফর থেকে ফিরে আসত। নবিজি (সা:) এটি নিষেধ করলেন। এ কারণেই ইকরামা বর্ণনা করেন, ‘আমরা ইবনে আব্বাস (রা:)-এর কাছে বসা ছিলাম। এমন সময় একটি পাখি আওয়াজ করতে করতে উড়ে গেল। তখন এক লোক বলে উঠল, “কল্যাণকর হোক!” ইবনে আব্বাস (রা:) বললেন, “এর মাঝে কল্যাণ ও অকল্যাণের কিছু নেই।”

> ইয়াহইয়া বিন সাইদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ‘রাসুল (সা:) একটি দুধেল উষ্ট্রীর দিকে ইশারা করে বললেন, ‘এই উষ্ট্রীর দুধ কে দোহন করবে?’ তখন এক ব্যক্তি দাঁড়ালে রাসুল (সা:) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার নাম কী?’ লোকটি বলল, ‘মুররা।’ অতঃপর রাসুল (সা:) তাকে বললেন, ‘তুমি বসো।’ (তিনি লোকটির নাম অপছন্দ করলেন। কারণ, মুররা শব্দের অর্থ হলো, তিক্ত)।

এরপর রাসুল (সা:) আবার জিজ্ঞেস করলেন, ‘এই উষ্ট্রীর দুধ কে দোহন করবে? তখন (অপর) এক ব্যক্তি দাঁড়ালে রাসুল (সা:) তাকে জিজ্ঞেস করলেন,‘তোমার নাম কী?’ লোকটি বলল, ‘হারব।’ রাসুল (সা:) বললেন, ‘তুমি বসো।’ আবার বললেন, ‘এই উষ্ট্রীর দুধ কে দোহন করবে?’ তখন আরেক ব্যক্তি দাঁড়ালে রাসুল (সা:) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার নাম কী?’ লোকটি বলল, ‘ইয়াইশ।’ রাসুল (সা:) তাকে বললেন, যাও, দুধ দোহন করো।‘ [মুয়াত্তা মালিক: ২৪]

> জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রা:) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে — ‘রাসুল (সা:) যখন উম্মে সায়িব বা উম্মে মুসাইয়িবের কাছে গেলেন, তখন তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে উম্মে সায়িব বা উম্মে মুসাইয়িব, তোমার কী হয়েছে, তুমি কাতরাচ্ছ কেন?’ তিনি বললেন, ‘ভীষণ জ্বর, একে আল্লাহ বর্ধিত না করুন।’ তখন তিনি বললেন, ‘তুমি জ্বরকে গালমন্দ করো না। কেননা, জ্বর আদম-সন্তানের পাপরাশি মোচন করে দেয়, যেভাবে হাপর লোহার মরীচিকা দূর করে।‘ [সহিহু মুসলিম: ২৫৭৫]

> রাসুল (সা:) যখন কোনো প্রয়োজনে (বের হওয়ার) ইচ্ছা করতেন, তখন (কারও মুখে) এ কথা শুনতে পছন্দ করতেন, ‘হে সফলকাম, হে সঠিক পথের পথিক, হে বরকতময়!’ তেমনিভাবে তিনি অসুস্থ ব্যক্তিকে ‘হে সুস্থ শুনাতে চাইতেন। এতে তার মাঝে প্রশস্ততা তৈরি হতো। অথবা তিনি ভ্রষ্টতার অনুসন্ধানকারীকে ‘হে সঠিক পথপ্রাপ্ত শুনাতে চাইতেন। এতে সে আত্মতৃপ্তি অনুভব করত।

> রাসুল (সা:) আশাবাদী হওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন। এ কারণেই তিনি মানুষের মাঝে সবচেয়ে প্রফুল্ল ছিলেন। তাঁর রব তাঁকে ভ্রুকুটি করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন, ‘তিন দিনের বেশি শোক প্রকাশ নেই।’ এতে এই ইঙ্গিত রয়েছে যে, সব সময় পেরেশানিতে ডুবে থাকা যাবে না; বরং ভবিষ্যতের ব্যাপারে আশাবাদী হতে হবে।

৪. অমূল্য বাণী

> ইমাম মাওরিদি (রা:) তার কিতাব ‘আদাবুদ দুনিয়া ওয়াদ দ্বীন’-এ উল্লেখ করেছেন, ‘জেনে রেখো, অশুভ ধারণা থেকে কেউ মুক্ত নয়। বিশেষ করে ওই ব্যক্তি, ভাগ্য যার ইচ্ছাশক্তির বিপরীত এবং কুদরতি ফয়সালা যার প্রয়োজনের প্রতিবন্ধক। সে আশাবাদী হয়; কিন্তু নিরাশাই তার ওপর প্রবল হয়ে থাকে। সে আশা করে; কিন্তু ভয় তার অধিক নিকটবর্তী সুতরাং কুদরতি ফয়সালা যখন তার জন্য প্রতিবন্ধক হয় এবং প্রত্যাশা যখন সফলতার মুখ দেখে না, তখন সে নিজের ব্যর্থতার ওজরকে অশুভ লক্ষণ মনে করে এবং আল্লাহর ফয়সালা ও ইচ্ছার ব্যাপারটিতে উদাসীন হয়ে যায়।

সুতরাং সে যখন অশুভ লক্ষণ মনে করে, তখন আর সামনে পা বাড়ায় না এবং সফলতার ব্যাপারে আশা ছেড়ে দেয়। সে মনে করে তার ধারণাই সঠিক হবে এবং তার কঠিন পরিস্থিতি আজীবন থাকবে। এরপর তার জন্য এটিই স্বাভাবিক রীতিতে পরিণত হয়। তাই তার কোনো চেষ্টাই সফলতা লাভ করে না এবং কোনো ইচ্ছাই পূর্ণতা অর্জন করে না ৷ কিন্তু কুদরতি তাকদির যাকে সাহায্য করে এবং কুদরতি ফয়সালা যার অনুকূলে, সে সামনে বাড়ার ব্যাপারে কম মন্দ ধারণা করে। ভবিষ্যতের ব্যাপারে সে বিশ্বাসী হয় এবং সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল হয়। ভয় তার জন্য প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে না। কোনো দুর্বলতা তাকে ধরে রাখে না ৷ কারণ, সফলতা সামনে বাড়ার মাঝে এবং ব্যর্থতা পিছু হটার মাঝে।

> জনৈক নেককার লোক বলেন, ‘সিদ্ধান্তের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর এবং চেষ্টাকে নস্যাৎ করে দেওয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো, কুলক্ষণে বিশ্বাস করা। যারা মনে করে, গরুর ডাক বা কাকের আওয়াজ তার জন্য নির্ধারিত ফয়সালা বা তাকদির পরিবর্তন করে দেবে, সে মূলত অজ্ঞ।

> ইবনে সিনা বলেন, ‘রোগের অর্ধেক হলো ধারণা। আর ধারণা থেকে বেঁচে স্থির থাকা হলো, ওষুধের অর্ধেক। ধৈর্য হলো সুস্থতার প্রথম পর্ব।

৫. বিস্ময়কর একটি কাহিনি

পারস্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কাহিনি। নুমান বিন মুকরিন (রা:) যখন পারস্য-সম্রাটের সামনে জিজিয়া অথবা ইসলাম গ্রহণ অথবা কিতালের সুরতগুলো উপস্থাপন করলেন, তখন সে বলেছিল, ‘যদি দূতদের হত্যা করা নিষিদ্ধ না হতো, তাহলে আমি তোমাদের হত্যা করে দিতাম। তোমরা উঠে চলে যাও। আমার কাছে তোমরা নিজেদের কোনো আশাই পূরণ করতে পারবে না। আর তোমাদের নেতাকে বলে দিয়ো, “আমি তোমাদের বিরুদ্ধে রুস্তমকে পাঠাচ্ছি। সে যেন তাকে ও তোমাদেরকে এক সাথে কাদিসিয়ার গর্তে দাফন করে দেয় ।” এরপর সে আদেশ করলে এক টুকরি মাটি নিয়ে আসা হলো।

সে নিজের লোকদের বলল, ‘টুকরিটি তাদের সবচেয়ে সম্মানিত মানুষের মাথায় উঠিয়ে দাও এবং তাকে সকল মানুষের চোখের সামনে দিয়ে নিয়ে যাও। সে যেন আমাদের দেশের রাজধানীর ফটক দিয়ে বের হয়।’ লোকেরা প্রতিনিধি-দলকে জিজ্ঞেস করল, ‘তোমাদের মাঝে সর্বোত্তম লোক কে?’ তখন আসিম বিন উমর তাদের দিকে এগিয়ে গিয়ে বললেন, ‘আমি।’ তারা টুকরিটি তাঁর মাথায় উঠিয়ে দিল। এরপর তিনি মাদায়িন থেকে বের হয়ে আসলেন এবং নিজের উটনীর পৃষ্ঠে তা উঠিয়ে নিলেন। তিনি সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা:) -এর জন্য এটি বহন করে নিয়ে এলেন এবং তাঁকে বিজয়ের সুসংবাদ দিলেন।

তিনি মাটি গ্রহণে আশাবাদী হয়েছেন এবং আল্লাহর ব্যাপারে সুধারণা করেছেন। তিনি মনে করেছেন যে, আল্লাহ তাআলা অচিরেই সে অঞ্চলটি তাঁদের দান করবেন। আর এমনটিই হয়েছে। কাদিসিয়্যার ঐতিহাসিক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে এবং কিসরার হাজার হাজার সৈনিক দিয়ে তার গর্তগুলো পূর্ণতা লাভ করেছে ।

৬. রমাদানে আশাবাদী হওয়া

রমাদান আশার আলো ছড়িয়ে দেয়। এটি হলো পাপাচারে সীমালঙ্ঘনকারীর জন্য ক্ষমার মাস এবং ইসলামের বড় বড় যুদ্ধগুলোতে বিজয়ের মাস। সব ধরনের কল্যাণের মাস হলো রমাদান মাস ।

৭. আশার সূর্য ডুবে গেছে

অশুভ লক্ষণ ছড়িয়ে পড়ছে: কিছু নির্দিষ্ট লোক থেকে অশুভ লক্ষণের ধারণা ছড়িয়ে পড়ছে। নির্ধারিত কিছু নম্বর, নির্ধারিত কিছু স্বপ্ন বা দর্শন থেকে এবং নির্ধারিত কিছু স্থান থেকে অশুভ ধারণা ছড়িয়ে পড়ছে। যা মানুষের চলার পথে মন্দ প্রভাব সৃষ্টি করে এবং তার সফলতাকে বাধাগ্রস্ত করে ৷ এ কারণেই কোনো এক পুণ্যবান ব্যক্তি বলেছেন, ‘আমি ওই জিনিসের ভয় করছি, যার মাধ্যমে আমাকে পরীক্ষা করা হবে।’

এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে উত্তম বাণী হলো, ইবনুল কাইয়িম (রা:)-এর কথা: ‘জেনে রেখো, যে কোনো জিনিসকে অশুভ মনে করে এবং তাকে ভয় করে, সে এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং যে তার কোনো পরোয়া করে না এবং এদিকে ফিরেও তাকায় না, তার কোনো ক্ষতিই হবে না ৷’

৮. দুআ

  • হে আল্লাহ, আমার আশপাশের লোকদের মাঝে আশার আলো ছড়িয়ে দিতে আমাকে সাহায্য করুন এবং আমাকে কল্যাণের চাবি এবং অকল্যাণের তালা বানিয়ে দিন!
  • হে আল্লাহ, আমাদেরকে আমাদের সাধ্যের বাইরে কোনো জিনিস চাপিয়ে দেবেন না।
  • হে আল্লাহ, আমাকে এমন দৃষ্টিশক্তি দান করুন, যেন প্রতিটি পরীক্ষার পেছনে আমি প্রতিদান দেখতে পারি এবং প্রত্যেক বিপদের পেছনে অনুদান দেখতে পারি। আর প্রত্যেক দুরবস্থার মাঝে যেন আনন্দ ও প্রশস্ততা দেখতে পারি।

৯. স্বার্থপর হবেন না

  • কথাগুলো আপনার মসজিদের মুসল্লি ও আপনার সহপাঠী-সহকর্মীদের মাঝে আলোচনা করুন।
  • এই বইটি নিজে পাঠ করে অন্যদেরকেও পড়তে দিন; যেন তারা এর থেকে উপকৃত হতে পারে।
  • মসজিদের ইমামকেও বইটি হাদিয়া দিতে পারেন; যেন তিনি জুমআর খুতবা বা তারাবিহ-পরবর্তী আলোচনায় এর থেকে ফায়দা গ্রহণ করতে পারেন।

১০. যথেষ্ট কথা হয়েছে, এখন আমল দেখার বিষয়

  • প্রতিটি পরীক্ষার ক্ষেত্রে খুব দ্রুতই প্রশস্ততা আসবে এবং প্রতিদানের মিষ্টতা অতি কাছে, এ ব্যাপারে আমরা আশা রাখব।
  • আমার সামনে যে সকল প্রতিবন্ধকতা আসবে, তার সামনে মাথা নত করব না।
  • আমার আশপাশে যারা আছে, তাদের মাঝে আশার আলো ও সুধারণা ছড়িয়ে দেবো।
  • আমি যে অবস্থারই সম্মুখীন হব, আল্লাহর কাছে প্রতিদানের আশা রাখব।

উৎস: রমাদান-আত্মশুদ্ধির বিপ্লব, পৃষ্ঠা: ৫৫ – ৬৩

Print Friendly, PDF & Email


'আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক'
প্রবন্ধের লেখা অপরিবর্তন রেখে এবং উৎস উল্লেখ্য করে
আপনি Facebook, Whatsapp, Telegram, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। ইসলামি দা’ওয়াহ্‌র ৮০ টিরও বেশী উপায়! বিস্তারিত জানতে এইখানে ক্লিক করুন "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]

দ্বীনী খিদমায় অংশ নিন

আপনার মন্তব্য লিখুন