সময় নষ্ট না করা [ আপনার অভ্যাস পরিবর্তন করুন ]

0
534

লেখক: ড. খালিদ আবু শাদি | অনুবাদক: হাসান মাসরুর

১. আজকের আলোচ্য বিষয়ের ফায়দা

  • রমাদানের সময়গুলোকে গনিমত মনে করা, যা কোনো মূল্যের বিনিময়ে অনুমান করা যাবে না।
  • দুআ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির সময়গুলো অনর্থক নষ্ট করা যাবে না।
  • বরকতময় এই সময়ে সর্বশ্রেষ্ঠ ফায়দা অর্জনের চেষ্টা করা। বিশেষ করে শেষ দশকে – যেখানে কদরের রজনী রয়েছে।
  • জান্নাতের বাগিচায় বীজ বপন করা এবং আখিরাতের বাজারে লাভজনক ব্যবসার চুক্তি সম্পন্ন করা।
  • নফসকে দৃষ্টান্তমূলক ফায়দা গ্রহণে অভ্যস্ত করা।

২. কুরআনের আলো

আল্লাহ তাআলা বলেন: “আসরের (সময়ের) কসম।” [সুরা আল-আসর, ১০৩:১]

এখানে আসর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, কাল বা সময়। আর এই কসমের কারণ হলো, সময়ের মূল্য ও মর্যাদার কারণে আল্লাহ তাআলা সময়ের কসম করেছেন। কারণ, জীবনের চেয়ে দামি কোনো জিনিস নেই। বিশেষভাবে এই শপথের কারণ হলো, এদিকে ইঙ্গিত করা যে, মানুষ অনেক সময় ভালো বা মন্দকে সময়ের সাথে সম্পৃক্ত করে থাকে। কেউ কেউ সময়কে গালি দিয়ে বলে, “হায়, দুর্ভাগ্যের সময়! ধ্বংস যুগের জন্য!’ আল্লাহ তাআলা এখন শপথ করে বুঝিয়ে দিলেন যে, সমস্যা তোমাদের মাঝে। আর তোমাদের মন্দ আমলের কারণেই তোমাদের ওপর বিপদ আপতিত হয়। এ ক্ষেত্রে সময়ের কোনো দখল নেই। এ কারণেই নবিজি (সা:) বলেছেন, ‘তোমরা সময়কে গালিগালাজ করো না। কারণ, আল্লাহ-ই সময়ের নিয়ন্ত্রক।’ [সহিহু মুসলিম: ২২৪৬] কারণ, আল্লাহ তাআলা সময়ের কসম করেছেন। এর উদ্দেশ্য হলো, সময়ের গুরুত্ব ও মর্যাদা বর্ণনা করা এবং এটি বোঝা যে, সময় আল্লাহ তাআলার অন্যতম নিয়ামত।

৩. রাসুল (সা:) আমাদের আদর্শ

নবিজি (সা:) আমাদেরকে কথার আগে কর্মের মাধ্যমে উপদেশ দিয়েছেন । সময়ের মূল্যায়নে তিনি ছিলেন মানবজাতির সর্বোত্তম আদর্শ। পুরো জীবনে কখনো তিনি হাই তুলেননি। যখন তিনি ঘুমাতেন, তখন তাঁর চোখ ঘুমিয়ে পড়লেও হৃদয় জেগে থাকত। নবিজি (সা:) রমাদানে সবচেয়ে বেশি ইবাদত করতেন। রমাদানের শেষ দশকে তিনি ইতিকাফ করতেন, রাত জাগরণ করতেন এবং সর্বোচ্চ মুজাহাদা করতেন।

কথার মাধ্যমে তিনি আমাদেরকে যে উপদেশ দিয়েছেন, তার একটি হলো এই হাদিস: ‘এমন দুটি নিয়ামত আছে, যার ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষ প্রবঞ্চিত: (তা হলো) সুস্থতা ও অবসরতা।‘ [সহিহুল বুখারি: ৬৪১২ ] আরবিতে হাদিসে শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। যা শব্দ থেকে গঠিত—যার অর্থ হলো, কোনো মানুষ হয়তো অধিক মূল্যে কিছু ক্রয় করেছে অথবা যথাযথ মূল্যের অনেক কমে কোনো জিনিস বিক্রি করে দিয়েছে। মানুষ হয়তো ক্রেতা, না হয় বিক্রেতা। যখন সে মূল দামের অধিক দিয়ে কোনো জিনিস ক্রয় করেছে, তখন সে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর যখন যথাযথ মূল্যের অনেক কমে কোনো জিনিস বিক্রি করেছে, তখন এ ক্ষেত্রেও সে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বস্তুত দুনিয়াতে সুস্থতা ও অবসরতা এই দুটি নিয়ামতের ক্ষেত্রে অধিকাংশ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। সুস্থতার সাথেই আছে অসুস্থতা এবং অবসরতার সাথেই আছে ব্যস্ততা। সুতরাং যাকে আল্লাহ তাআলা এই দুটি নিয়ামত দান করেছেন, তাকে নিয়ে মানুষের ঈর্ষা করা উচিত। অন্যথায় সেই প্ৰকৃত ক্ষতিগ্ৰস্ত।

৪. অমূল্য বাণী

  • ইবনে মাসউদ (রা:) বলেন, ‘ওই দিনের মতো অনুতপ্ত আমি আর হইনি, যেদিন সূর্য ডুবে আমার হায়াত কমে গেছে; কিন্তু আমার আমলে কোনো প্রবৃদ্ধি ঘটেনি।
  • ইবনুল কাইয়িম (রা:) বলেন, ‘দুনিয়াতে সবচেয়ে বড় লাভ হলো, তুমি প্রতিটি মুহূর্তে নিজেকে এমন কাজে ব্যাপৃত রাখবে, যা তোমার জন্য সর্বোত্তম এবং শেষ পরিণামে সবচেয়ে উপকারী। এমন ব্যক্তি কীভাবে জ্ঞানী হতে পারে, যে জান্নাতকে সামান্য সময়ের খাহিশাতের মাধ্যমে বিক্রি করে দিয়েছে।’
  • তিনি আরও বলেন, ‘সময় বিনষ্ট করা মৃত্যুর চেয়ে জঘন্য। কারণ, সময় বিনষ্ট করার ফলে তুমি আল্লাহ তাআলা ও আখিরাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। আর মৃত্যুর ফলে তুমি দুনিয়া ও দুনিয়াবাসী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।’
  • হাসান বসরি (রা:) বলেন, ‘যে বান্দার আশাই দীর্ঘ হয়েছে, সেই মন্দকর্মে জড়িত হয়েছে।’
  • হাকিম (রা:) বলেন, ‘যে ব্যক্তি নিজের একটি দিন কাজা সম্পূর্ণ করা অথবা ফরজ আদায় করা অথবা কোনো সম্মান অর্জন করা অথবা প্রশংসা হাসিল করা বা কল্যাণের ভিত্তি স্থাপন করা অথবা ইলম অর্জন করা ছাড়া অযথা কোনো কাজে ব্যয় করেছে, সে ওই দিনের প্রতি অবিচার করেছে এবং নিজের প্রতি জুলুম করেছে !”
  • ইবনুল জাওজি (রা:) বলেন, ‘মানুষের জন্য তার সময়ের মর্যাদা ও গুরুত্ব অনুধাবন করা উচিত। সুতরাং সে যেন নিজের একটি মুহূর্তও নেক কাজ করা ছাড়া ব্যয় না করে। আর এ ক্ষেত্রে সর্বোত্তম কাজকে অগ্রাধিকার দেবে। কথা বা কাজের সর্বোত্তম বিষয়কে অগ্রাধিকার দেবে। আল্লাহর শপথ, আমি ইলম অর্জন ছেড়ে খাবারের পেছনে ব্যাপৃত সময়ের ব্যাপারে আফসোস করি। কারণ, সময় ও যুগ অনেক মূল্যবান।’
  • ইবনে আতা (রা:) বলেন, ‘অনেক জীবনের সময় স্বল্প, কিন্তু আশা বেশি এবং অনেক জীবনের আশা স্বল্প, কিন্তু সময় বেশি।’

৫. কিছু চমৎকার কাহিনি

  • মালিক (রা:) আব্দুল্লাহ বিন আবু বকর (রা:) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, ‘আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, “আমরা রমাদানে রাতের সালাত থেকে ফারিগ হয়ে ফজরের ওয়াক্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় খাদিমদেরকে দ্রুত খাবার প্রস্তুত করতে বলতাম।” উসমান বিন আফফান (রা:) প্রতিদিন এক খতম কুরআন তিলাওয়াত করতেন। আর কারিগণ প্রথম আট রাকআতে সুরা বাকারা পাঠ করতেন। যখন তারা বারোতম রাকআতে দাঁড়াতেন, তখন লোকজন তাদের দেখতেন যে, পূর্বের তুলনায় কিরাআত সংক্ষিপ্ত করে ফেলেছেন।
  • জনৈক সালাফের কাছে কিছু লোক প্রবেশ করে বলল, ‘মনে হচ্ছে আমরা আপনাকে অন্য বিষয়ে ব্যস্ত করে দিচ্ছি!?’ তিনি বললেন, ‘তোমরা সত্যি বলেছ। আমি পড়ছিলাম; কিন্তু তোমাদের জন্য পড়া ছেড়ে দিতে হলো!’
  • জনৈক আবিদ আস-সারি আস-সাকাতি (রা:)-এর কাছে এসে একদল লোককে দেখতে পেয়ে বলে উঠলেন, ‘বেকারদের পরিবেশ!!’ এ কথা বলে তিনি সেখানে না বসেই চলে গেলেন।
  • একদল লোক মারুফ আল-কারখির নিকট বসল। তারা অনেক দীর্ঘ সময় তার কাছে অবস্থান করছিল। তাই তিনি বললেন, ‘মৃত্যুর ফেরেশতা তার কাজের ব্যাপারে ক্লান্ত হয়ে পড়ে না। তোমরা কখন ওঠার নিয়ত করছ?!’
  • দাউদ আত-তায়ি (রা:) রুটিকে ছোট ছোট টুকরা করে গিলে ফেলতেন। তিনি বলতেন, ‘রুটিকে ছোট ছোট টুকরা করে গিলে ফেলা আর চিবিয়ে খাওয়ার মাঝে ৫০ আয়াত পাঠ করার সময়ের ব্যবধান।’
  • উসমান আল-বাকিল্লাবি সব সময় আল্লাহ তাআলার জিকির করতেন। তিনি বলতেন, ‘ইফতারের সময় আমার মনে হয় যে, আমার রুহ বের হয়ে যাবে (কারণ, তিনি মনে করতেন যে, তখন খাবার নিয়ে পড়ে থাকার কারণে তার সময় নষ্ট হচ্ছে)!!’
  • জনৈক সালাফ তার ছাত্রদের উপদেশ দিয়ে বলেন, ‘যখন তোমরা আমার কাছ থেকে বের হয়ে যাবে, তখন পৃথক হয়ে যাবে। হয়তো তোমাদের কেউ কেউ পথে কুরআন তিলাওয়াত করবে; কিন্তু যখন সবাই জড়ো হবে, তখন তো কথা বলতে শুরু করবে!!

৬. রমাদানের সময়

রাসুল (সা:) বলেন: আর ভূলুণ্ঠিত হোক তার নাক, যার কাছে রমাদান এল; অথচ তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার আগেই তা পার হয়ে গেল।‘ [সুনানুত তিরমিজি: ৩৫৪৫, সহিহু ইবনি হিব্বান: ৯০৮]

হাদিসে আপনার সামনে থাকা সম্পদের মূল্যের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। কিন্তু আপনি তা উপলব্ধি করতে পারছেন না! সতর্ক করা হয়েছে যে, এখন আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ সময় অতিবাহিত করছেন। আপনার সামনে এখন ক্ষমা ও জান্নাত অর্জনের সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে।

প্রিয় ভাই ও বোন, আজকের একটি দিন অনেক মূল্যবান। সামান্য একটি মুহূর্তের কারণে আপনার পুরো সিয়াম সঠিকও হতে পারে আবার বাতিলও হয়ে যেতে পারে। যদি এমন হয় যে, আপনি ইফতারের নির্দিষ্ট সময়ের সামান্য আগে ইফতার করেছেন বা ফজরের সময় শুরু হওয়ার পর খাবার খেয়েছেন, তাহলে আপনার সিয়াম বাতিল হয়ে গেছে।

কদরের রজনী হাজার মাসের চেয়ে উত্তম সুতরাং এর বরাবর আর কোন সময় হতে পারে?!

সাধারণ সময়ও যখন সকল সম্পদের চেয়ে উত্তম ও দামি, তখন রমাদানের এত মূল্যবান সময় কীভাবে নষ্ট করা যায়! অথচ এই মাসের সময়গুলোকে সেকেন্ড ও মিনিটের মাধ্যমেও মূল্যায়ন করা হয়। যদি আপনি দলিল চান, তাহলে আল্লাহ তাআলা এ মাসের ব্যাপারে কী বলেছেন, তা শুনুন: “(এই রোজা) নির্দিষ্ট কয়েকদিনের জন্য।” [সুরা আল-বাকারা, ২:১৮৪]

যেন এটি হলো সে সুযোগ, যা খুব দ্রুত চলে যাবে। এমন মৌসুম, যা খুব দ্রুত কেটে যাবে ৷

প্রিয় ভাই, রমাদানের ব্যবসা অন্যান্য ব্যবসার মতো নয়। অন্যান্য সময় একে দশ । আর এ মাসে একে একশ অথবা হাজার বা তার চেয়েও বেশি। সুতরাং কীভাবে এ ব্যবসা থেকে পিছিয়ে থাকা যায় এবং নেক কাজের প্রতিযোগিতা থেকে বিরত থাকা যায়?!

৭. সময়ের সূর্য ডুবে গেছে

  • সময়ের চোরগুলো আমাদের সাথে সাক্ষাৎ করছে। যেমন: টেলিভিশন দেখা, ইন্টারনেট চ্যানেল নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অনর্থক বসে থাকা। অনেক সময় বিভিন্ন নাফরমানিতে কেটে যায়।
  • সময়কে কুরআন তিলাওয়াত, জিকির বা এমন কোনো উত্তম কাজে ব্যয় না করে লম্বা সময় ঘুমিয়ে থাকা। ইয়াহইয়া বিন মুআজ সত্য কথাই বলেছেন, ‘বিশাল রাতকে ঘুমের মাধ্যমে ছোট করে ফেলো না । দিন হলো পবিত্র, গুনাহের অপরাধের মাধ্যমে তা নোংরা করো না।’
  • অনেক মানুষই আজ অনর্থক কাজে মশগুল। হাসান বসরি (রা:) বলেন, ‘বান্দার প্রতি আল্লাহর অসন্তুষ্ট হওয়ার আলামত হলো, তাকে অনর্থক কাজে ব্যস্ত করে রাখা।’

৮. দুআ

  • হে আল্লাহ, আমি আমার জীবনে বরকত কামনা করছি, আমার আমলে বরকত কামনা করছি এবং আমার প্রতিটি বিষয়ে বরকত কামনা করছি।
  • হে আল্লাহ, আমাকে উদাসীনতায় ছেড়ে দেবেন না এবং অসতর্ক অবস্থায় আমাকে পাকড়াও করবেন না। আর আমাকে হঠাৎ মৃত্যু দেবেন না। হে আল্লাহ, আমার পুরো সময়টা একমাত্র আপনার সন্তুষ্টির কাজে ব্যয় করার তাওফিক দিন।

৯. যথেষ্ট কথা হয়েছে, এখন আমল দেখার বিষয়

  • আমি নিজ পরিবার ও সন্তানদেরকে রমাদানের সময়গুলো থেকে ফায়দা গ্রহণের জন্য একটি রুটিন তৈরি করে দেবো।
  • আমার রমাদানের টার্গেটসমূহের ভেতরে ব্যক্তিগত ইবাদত এবং সামাজিক বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে নেব।
  • অবসরতা সময় বিনষ্টের অর্ধেক কারণ। সুতরাং আমি কোনো সুযোগ ছেড়ে দেবো না, যাতে শয়তান প্রশান্তি পাবে। অন্যথায় শয়তান আমাকে বড় ধরনের ক্ষতিতে নিপতিত করবে।
  • আমার স্বাভাবিক অভ্যাসগুলোর মাঝে নতুনভাবে নিয়ত করে নেব; যেন আমার সামান্য সময়ও ফায়দাহীন কাজে ব্যয় না হয়। সুতরাং আহার ও ঘুমের মাধ্যমে আমার নিয়ত থাকবে আল্লাহর ইবাদতে শক্তি অর্জন করা।

১০. স্বার্থপর হবেন না

  • অন্যদেরকেও সময় থেকে উপকৃত হতে সাহায্য করুন। আর হাসান আল- বান্নার এই উপদেশ স্মরণ করুন, ‘সময়ের চেয়ে দায়িত্ব-কর্তব্য অনেক বেশি। সুতরাং আপনি অন্যকেও সময় থেকে উপকৃত হতে সাহায্য করুন । আর যদি আপনার কোনো প্রয়োজন থাকে, তাহলে তা সম্পূর্ণ করতে স্বল্প সময় ব্যয় করুন।’
  • কথাগুলো আপনার মসজিদের মুসল্লি ও আপনার সহপাঠী-সহকর্মীদের মাঝে আলোচনা করুন।
  • এই বইটি নিজে পাঠ করে অন্যদেরকেও পড়তে দিন; যেন অন্যরা এর থেকে উপকৃত হতে পারে।
  • মসজিদের ইমামকেও বইটি হাদিয়া দিতে পারেন; যেন তিনি জুমআর খুতবা বা তারাবিহ-পরবর্তী আলোচনায় এর থেকে ফায়দা গ্রহণ করতে পারেন।

উৎস: রমাদান-আত্মশুদ্ধির বিপ্লব, পৃষ্ঠা: ৭৭- ৮৪

Print Friendly, PDF & Email


'আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক'
প্রবন্ধের লেখা অপরিবর্তন রেখে এবং উৎস উল্লেখ্য করে
আপনি Facebook, Whatsapp, Telegram, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। ইসলামি দা’ওয়াহ্‌র ৮০ টিরও বেশী উপায়! বিস্তারিত জানতে এইখানে ক্লিক করুন "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]

দ্বীনী খিদমায় অংশ নিন

আপনার মন্তব্য লিখুন