স্ত্রী [আপনার সম্পর্ককে মজবুত করুন]

0
341

wife

লেখক: ড. খালিদ আবু শাদি | অনুবাদক: হাসান মাসরুর

১. আজকের আলোচ্য বিষয়ের ফায়দা

  • আল্লাহর আনুগত্যে মিলিত হওয়া।
  • স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ভালোবাসার বন্ধনগুলো মজবুত করা এবং বিচ্ছেদের কারণগুলো দূর করা।
  • ঘর থেকে শয়তানকে বিতাড়িত করা এবং অস্থিরতা ও উৎকণ্ঠার বিষয়গুলো দূর করা।
  • স্ত্রীর মাধ্যমে হারামের দিকে চেষ্টা বা হারামের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা।

২. কুরআনের আলো

আল্লাহ তাআলা বলেন: “তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরাও তাদের পরিচ্ছদ।” [সুরা আল-বাকারা, ২ : ১৮৭]

স্বামী-স্ত্রী ও পোশাকের মাঝে কী সাদৃশ্য রয়েছে?

  • পোশাক লজ্জাস্থানের পর্দা। পোশাক যেমন লজ্জাকর বিষয়গুলোকে ঢেকে রাখে, তেমনিভাবে স্বামী-স্ত্রীর প্রত্যেকেই নিজেদের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ উভয় ধরনের লজ্জার বিষয়গুলো ঢেকে রাখে। রাসুল (সা:) বলেন: ‘স্ত্রী বা বাঁদি ব্যতীত সকলের কাছ থেকে তোমার লজ্জাস্থানকে হিফাজত করো।’ [সুনানু আবি দাউদ: ৪০১৭, সুনানুত তিরমিজি: ২৭৬৯]
  • পোশাক যেমন গরমের সময় গরম থেকে এবং শীতের সময় শীত থেকে রক্ষা করে, তেমনিভাবে স্ত্রী নিজের স্বামীকে প্রবৃত্তির উষ্ণতা ও যুগের ফিতনা থেকে রক্ষা করে—যে ফিতনা বস্তুবাদী সভ্যতা আজ সব দিক থেকে ছড়িয়ে দিচ্ছে।
  • পোশাক আপনার খুব কাছে থাকে, তার কাছে আপনার কোনো গোপন বিষয়ই গোপন থাকে না, তেমনিভাবে স্ত্রী অন্যদের থেকে যা হিফাজত করে, তা নিজের স্বামীর সামনে করে না।
  • পোশাক হলো প্রশান্তি ও আরামের মাধ্যম। সুতরাং আয়াতের অর্থ হলো, তারা তোমাদের প্রশান্তির কারণ এবং তোমরা তাদের প্রশান্তির কারণ।

৩. রাসুল (সা:) আমাদের আদর্শ

রাসুল (সা:) বলেন: ‘তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যে নিজের পরিবারের কাছে উত্তম। আর আমি তোমাদের চেয়ে আমার পরিবারের কাছে অধিক উত্তম।‘ [সুনানু ইবনি মাজাহ: ১৯৭৭, সহিহু ইবনি হিব্বান: ৪১৭৭]

ইমাম মুনাবি (রা:) বলেন: “তিনি তাঁর পরিবারের জন্য সর্বোত্তম মানুষ ছিলেন । তিনি আনসারি সাহাবিদের ছোট ছোট মেয়েদেরকে আয়িশা (রা:)-এর নিকট তার সাথে খেলা করতে পাঠাতেন। যখন তাঁকে উত্তম কোনো জিনিস দেওয়া হতো, তখন তাতে আয়িশা (রা:)-কেও তিনি শামিল করতেন। আর যখন পান করতেন, আয়িশা (রা:) যে স্থান দিয়ে পান করেছেন, সেখান থেকে পান করতেন। তিনি তাঁকে রোজা রেখেও চুমো খেতেন। তিনি আয়িশা (রা:)-কে মসজিদে হাবশিদের খেলা দেখিয়েছেন। তখন আয়িশা (রা:) তাঁর কাঁধে ভর করে দাঁড়িয়েছিলেন। সফরে দুবার আয়িশা (রা:)-এর সাথে তিনি প্রতিযোগিতা করেছেন। একবার নিজে জিতেছেন এবং অন্যবার তাঁকে জিতিয়ে দিয়েছেন। এরপর বলেছেন, এবারের পাল্লা তোমার।

একদা ঘর থেকে বের হওয়ার সময় তাঁরা পরস্পর গা ঘেঁষাঘেঁষি করে বের হয়েছিলেন। সহিহ হাদিসে এসেছে যে, তাঁর স্ত্রীগণ তাঁর সাথে হাদিসের বর্ণনা মিলিয়ে দেখতেন। তাঁদের একজন তো তাঁকে সারা দিন একাকী রেখে দিয়েছেন। আরেকজন তাঁর বুকে ধাক্কা দিয়েছিলেন; ফলে তার মা তাকে ধমক পর্যন্ত দিয়েছিলেন। নবিজি (সা:) তাকে বলেছিলেন, “তাকে ছেড়ে দিন! কারণ, তারা এরচেয়ে বেশি কিছুও করে থাকে।” তাঁর ও আয়িশা (রা:)-এর মাঝে কথা কাটাকাটি হয়েছিল। অবশেষে আবু বকর (রা:) তাঁদের মাঝে মীমাংসাকারী হিসেবে প্রবেশ করলেন। একবার কথা চলাকালীন আয়িশা (রা:) তাঁকে বললেন, ‘আপনি কি সেই ব্যক্তি, যিনি নিজেকে আল্লাহর নবি ধারণা করেন?’ নবিজি (সা:) তার কথা শুনে মুচকি হাসলেন।

৪. অমূল্য বাণী

সর্বোত্তম বাণী হলো, আমাদের প্রিয় নবি (সা:)-এর বাণী:

  • ‘তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, ‘যে নিজের পরিবারের কাছে উত্তম। আর আমি তোমাদের চেয়ে আমার পরিবারের কাছে অধিক উত্তম।‘ [সুনানু ইবনি মাজাহ: ১৯৭৭, সহিহু ইবনি হিব্বান: ৪১৭৭]     

যে নিজের স্ত্রীর সাথে মন্দ আচরণ করল, সে যেন নিজের প্রতিই মন্দ আচরণ করল। এবং সে নিজের মন্দের পরিমাণ অনুযায়ী রাসুল (সা:)-এর আনুগত্য থেকে দূরে সরে গেল। পক্ষান্তরে যে নিজের স্ত্রীর সাথে উত্তম আচরণ করল, সে যেন নিজের প্রতিই উত্তম আচরণ করল। এবং সে নিজের উত্তমতার পরিমাণ অনুযায়ী রাসুল (সা:)-এর আনুগত্যের নিকটবর্তী হলো।

  • তোমরা নারীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো। কারণ, তারা তোমাদের নিকট আবদ্ধ। তারা নিজেদের ব্যাপারে নিজেদের কোনো অধিকার রাখে না। তাদের জন্য তোমাদের ওপর কিছু দায়িত্ব রয়েছে এবং তোমাদের ওপর তাদের জন্য কিছু দায়িত্ব রয়েছে।‘ [মুসনাদু আহমাদ: ২০৬৯৫]

হাদিসে ‘আবদ্ধ’ বলতে বন্দী বোঝানো হয়েছে। সুতরাং স্ত্রী হলো স্বামীর কাছে বন্দীর ন্যায় । আরবিতে (আওয়ানুন) যে শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, তা বন্দিত্বের সাথে সাথে সেই দয়ার অর্থও প্রদান করে, যা স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীর প্রতি প্ৰকাশ পায়।

  • হে আনজাশা, তুমি কাঁচপাত্র (মহিলা) বহনকারী উট ধীরে চালাও।‘ [সহিহুল বুখারি: ৬২০২, আল-আদাবুল মুফরাদ: ১২৬৪]

মহিলাদের সাথে কোমল আচরণ করতে হয় এবং সুন্দর কথা বলতে হয়। অন্যথায় তা (কাঁচপাত্রের মতো) ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

অনেক সময় ভেঙে গিয়ে আগের অবস্থায় আর ফিরে আসে না। ফলে তার অনুভূতিগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তার মাঝে শুষ্কতা ও কঠোরতা কাজ করে ৷ সুতরাং আপনি তাকে কোনো প্রকার কঠোরতা ও ধমকি না দেখিয়ে কোমল আচরণের মাধ্যমে আপনার মনমতো করে গড়ে তুলুন।

৫. একটি চমৎকার কাহিনি

আয়িশা (রা:) এক সফরে রাসুল (সা:)-এর সাথে ছিলেন। আয়িশা (রা:) সে সময় ছোট ছিলেন। তিনি বলেন, ‘তখন আমার শরীরে গোস্ত ছিল না এবং আমি মোটাও ছিলাম না। নবিজি (সা:) তাঁর সঙ্গীদের বললেন, “তোমরা সামনে বাড়ো।” ফলে তাঁরা সামনে চলে গেলেন। এরপর তিনি আমাকে বললেন, “এসো, তোমার সাথে দৌড়-প্রতিযোগিতা করব।” আমি তাঁর সাথে দৌড়-প্রতিযোগিতা করলাম। এই প্রতিযোগিতায় আমি তাঁকে ছাড়িয়ে গেলাম । এরপর যখন অন্য এক সফরে তাঁর সাথে বের হলাম, তিনি তাঁর সাথিদের বললেন,“তোমরা সামনে বাড়ো।” তাঁরা সামনে গেল। এরপর তিনি আমাকে বললেন, “এসো, তোমার সাথে দৌড়-প্রতিযোগিতা করব।” আমি তখন ভুলে গেলাম যে, আল্লাহর নবি আগের মতো আছেন আর আমি মোটা হয়ে গেছি। আমি বললাম, “হে আল্লাহর রাসুল, আমি কীভাবে এই অবস্থায় আপনার সাথে দৌড়-প্রতিযোগিতা করব?” তিনি বললেন, “তোমাকে প্রতিযোগিতা করতেই হবে।” ফলে আমি তাঁর সাথে দৌড়-প্রতিযোগিতা করলাম এবং তিনি আমাকে ছাড়িয়ে গেলেন। এরপর তিনি হাসতে হাসতে বললেন, “এটি হলো সেই বারের প্রতিযোগিতার প্রতিশোধ। [নাসায়ি কৃত আস-সুনানুল কুবরা: ৮৮৯৬]

৬. রমাদানে স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা

  • ইফতার ও সাহরির খানা প্রস্তুতকরণে স্ত্রীকে সহযোগিতা করব।
  • হঠাৎ অপ্রত্যাশিতভাবে তার জন্য হাদিয়া নিয়ে উপস্থিত হব।
  • একদিন বাড়ির বাইরে অন্য কোথাও তার জন্য ইফতারের ব্যবস্থা করব; যেন তার কষ্টের বোঝা হালকা হয়।
  • সালাতের জন্য তাকে জাগিয়ে দেবো এবং তারাবিহ ও তাহাজ্জুদে তাকে সঙ্গী বানিয়ে নেব।

৭. ভালোবাসার সূর্য ডুবে গেছে

  • বর্তমানে ব্যাপকহারে তালাকের ঘটনা ঘটছে। ২০০৯ সালের হিসাবে মিশরে গড়ে প্রতি বছর ৮৮০০০ তালাকের ঘটনা ঘটে। প্রতি ছয় মিনিটে একটি তালাক সংঘটিত হয়।
  • প্রথম বছরে তালাকের হার ছিল ৩৪% এবং দ্বিতীয় বছরে এটি কমে দাঁড়িয়েছে ২১%।
  • সামান্য কারণেই স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া-বিবাদ হয়।
  • স্ত্রীদেরকে ছোট করে দেখা হয় এবং তুচ্ছ কারণেই তাদের প্রহার করা হয়।
  • একে অন্যের দোষ ধরা এবং দোষ খোঁজার পেছনেই পড়ে থাকে। পরস্পরের প্রতি সুধারণা পোষণ করে না।

৮. দুআ

  • হে আল্লাহ, আমাদের বাড়িগুলো কুরআনের মাধ্যমে সৌন্দর্যমণ্ডিত করুন এবং ভালোবাসা ও প্রশান্তি দ্বারা তা ভরপুর করে দিন।
  • হে আল্লাহ, মানুষের মাঝে আমাকে প্রিয় নবিজির সাথে সর্বাধিক সাদৃশ্যপূর্ণ করুন এবং আমার পরিবারের জন্য আমাকে সর্বোত্তম স্বামী বানিয়ে দিন।
  • হে আল্লাহ, আমার বাড়ির দিকে শয়তানের জন্য কোনো পথ রাখবেন না।
  • হে আল্লাহ, আপনার ইবাদত পালনে আমার স্ত্রীর জন্য আমাকে সহযোগী বানান এবং তাকে আমার জন্য আপনার মহব্বতে সহযোগী বানিয়ে দিন।

৯. স্বার্থপর হবেন না

  • বিবাদরত স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সমঝোতা করে দিন।
  • ‘আন-নিসাউ মিনাল মিররিখ ওয়ার রিজালু মিনাজ জাহরাহ’ কিতাবটি অধ্যয়ন করুন এবং নিজের অন্যান্য সাথিদের মাঝেও তা পাঠ করুন। যদি আমার সামর্থ্য থাকত, তাহলে প্রত্যেক স্বামী-স্ত্রীর জন্য এটি পাঠ করা আবশ্যক করে দিতাম।
  • কথাগুলো আপনার মসজিদের মুসল্লি ও আপনার সহপাঠী-সহকর্মীদের মাঝে আলোচনা করুন ।
  • এই বইটি নিজে পাঠ করে অন্যদেরকেও পড়তে দিন; যেন তারা এর থেকে উপকৃত হতে পারে।
  • মসজিদের ইমামকেও বইটি হাদিয়া দিতে পারেন; যেন তিনি জুমআর খুতবা বা তারাবিহ-পরবর্তী আলোচনায় এর থেকে ফায়দা গ্রহণ করতে পারেন।

১০. যথেষ্ট কথা হয়েছে, এখন আমল দেখার বিষয়

> নবিজি (সা:)-এর অনুসরণ করে আমি আমার স্ত্রীর প্রশংসা করব। নবিজি (সা:) বলেন: নারীদের মাঝে আয়িশার শ্রেষ্ঠত্ব তেমন, সকল খাবারের ওপর সারিদের শ্রেষ্ঠত্ব যেমন।‘ [সহিহুল বুখারি: ৩৪১১]

> তার মতামতের প্রশংসা করব, যদিও তা বেঠিক হয়।

> তার ক্রোধের সময় তাকে সহ্য করে নেব।

> তার দোষগুলোর ব্যাপারে সরাসরি না বলে কৌশলে তাকে সতর্ক করে দেবো।

> অসুস্থতার সময় তার দেখাশোনা করব এবং তাকে উত্তম দিক-নিদের্শনা দেবো।

আয়িশা (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি হায়িজ অবস্থায় পান করতাম এবং নবিজি (সা:)-কেও তা (পান করতে) দিতাম। তিনি আমার মুখের জায়গায় মুখ রেখে পান করতেন।‘ [সহিহু মুসলিম: ৩০০]

অন্য বর্ণনায় আছে, ‘তিনি (পানপাত্রে) আমার মুখ রাখার স্থানটি তালাশ করে সেখানেই মুখ দিতেন। আমি হায়িজ অবস্থায় গোশত কামড়ে নিতাম—তারপর রাসুল (সা:) কে তা দিতাম। তিনি আমার মুখের স্থানে মুখ রেখে খেতেন।‘ [সুনানুন নাসায়ি: ২৮১, ৩৮০]

> যখন তাঁর পরিবারের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়তেন, তখন তিনি মুয়াওওয়াজাত (সুরা ফালাক ও সুরা নাস) পাঠ করে তাকে দম করতেন। আর এর ফলে সে কিছুটা সহজতা অনুভব করত।

> আমি আমার স্ত্রীর ভালো দিকগুলোর প্রতি লক্ষ করব এবং দোষগুলো উপেক্ষা করে যাব । আর এর মাধ্যমে নবিজি (সা:)-এর আদেশ পালন করব: কোনো ইমানদার পুরুষ যেন কোনো ইমানদার নারীর (অর্থাৎ স্ত্রীর) সাথে দ্বন্দ্ব না করে। যদি সে তার একটি আচরণে অসন্তুষ্ট হয়, তার অন্য আচরণে সন্তুষ্ট হবে।’ [সহিহু মুসলিম: ১৪৬৯, মুসনাদু আবি ইয়ালা: ৬৪১৯]

বস্তুত দোষগুলো উপেক্ষা করে যাওয়া সম্মানিত লোকদের বৈশিষ্ট্য।

আল্লাহ তাআলা বলেন: “আর তখন (নবি) তার কতকটা জানিয়ে দিলেন এবং কতকটা (জানানো) থেকে বিরত রইলেন।” [সুরা আত-তাহরিম, ৬৬ : ৩]

উৎস: রমাদান-আত্মশুদ্ধির বিপ্লব, পৃষ্ঠা: ১৩২ – ১৪০

Print Friendly, PDF & Email


'আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক'
প্রবন্ধের লেখা অপরিবর্তন রেখে এবং উৎস উল্লেখ্য করে
আপনি Facebook, Whatsapp, Telegram, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। ইসলামি দা’ওয়াহ্‌র ৮০ টিরও বেশী উপায়! বিস্তারিত জানতে এইখানে ক্লিক করুন "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]

দ্বীনী খিদমায় অংশ নিন

আপনার মন্তব্য লিখুন