আহার [আপনার অভ্যাস পরিবর্তন করুন]

0
291

food

লেখক: ড. খালিদ আবু শাদি | অনুবাদক: হাসান মাসরুর

১. আজকের আলোচ্য বিষয়ের ফায়দা

  • খাবারের মাধ্যমে ইবাদতে শক্তি অর্জন করা। খাবার যেন ইবাদতের মাঝে প্রতিবন্ধক না হয় এবং এর মাধ্যমে যেন শুধু স্বাদ অর্জন উদ্দেশ্যে না হয়।
  • খাবারের ব্যাপারে নবিজি -এর আদর্শ সম্পর্কে জানা এবং নবিজি -এর অনুসরণের মাধ্যমে সাওয়াব অর্জন করা।
  • মোটা দেহবিশিষ্ট না হওয়া; বরং সুস্থ ও শক্তিশালী দেহের অধিকারী হওয়া । শক্তিশালী মুমিন আল্লাহর কাছে দুর্বল মুমিন থেকে উত্তম।
  • হৃদরোগ, নেশা ও অন্যান্য রোগ থেকে বেঁচে থাকা; যা বদহজম থেকে তৈরি হয়।

২. কুরআনের আলো

আল্লাহ তাআলা বলেন: “হে আদম-সন্তানেরা, তোমরা প্রত্যেক সালাতের সময় সাজসজ্জা গ্রহণ করো এবং খাও, পান করো; কিন্তু অপচয় করবে না। তিনি অপচয়কারীদের ভালোবাসেন না।” [সুরা আল-আরাফ, ৭ : ৩১]

সুতরাং এমন মাসে অবস্থা কেমন হওয়া উচিত, যে মাসে সুস্থ শরীর, স্বচ্ছ আকল এবং বিনয়ী হৃদয়ের প্রয়োজন? কিন্তু আমাদের জন্য আফসোস হলো, যখন রমাদানের আলোচনা করা হয়, তখন বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও ভোজসভার আলোচনা করা হয়। ফলে মুসলিমরা অন্যান্য মাসে যে খাবার নষ্ট করে, তা কয়েকগুণ বেশি করে এই মাসে।

৩. রাসুল (সা:) আমাদের আদর্শ

  • রাসুল (সা:) পানি ও খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন; তিনি বেশি খাবার খেতেন না; বিশেষ করে রমাদান মাসে। তিনি আমাদেরকে উপদেশ দিয়ে বলেন: তোমরা অপব্যয় ও আত্মম্ভরিতা না করে খাও, দান করো এবং পরিধান করো।[সুনানুন নাসায়ি: ২৫৫৯]
  • অন্য এক হাদিসে রাসুল (সা:) বলেন: মানুষ পেট হতে অধিক নিকৃষ্ট কোনো পাত্র পূর্ণ করে না। মেরুদণ্ড সোজা রাখতে পারে এমন কয়েক গ্রাস খাবারই আদম-সন্তানের জন্য যথেষ্ট। তার চেয়েও বেশি প্রয়োজন হলে পাকস্থলীর এক-তৃতীয়াংশ খাদ্যের জন্য, এক-তৃতীয়াংশ পানীয়ের জন্য এবং এক-তৃতীয়াংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য রাখবে।[সুনানুত তিরমিজি : ২৩৮০, মুসনাদু আহমাদ : ১৭১৮৬]

হাফিজ ইবনে রজব (রা:)  এই হাদিসের ব্যাপারে বলেন, ‘এটি চিকিৎসার সকল নীতিকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। ডাক্তার ইবনে মাসবিয়াহ এই হাদিস পাঠ করে বলেন, “মানুষ যদি এই বাক্যগুলোর ওপর আমল করত, অর্থাৎ “মানুষ পেট হতে অধিক নিকৃষ্ট কোনো পাত্র পূর্ণ করে না। মেরুদণ্ড সোজা রাখতে পারে এমন কয়েক গ্রাস খাবারই আদম-সন্তানের জন্য যথেষ্ট। তারচেয়েও বেশি প্রয়োজন হলে পাকস্থলীর এক-তৃতীয়াংশ খাদ্যের জন্য, এক-তৃতীয়াংশ পানীয়ের জন্য এবং এক-তৃতীয়াংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য রাখবে।” তাহলে তারা বিভিন্ন রোগব্যাধি থেকে রক্ষা পেত এবং হাসপাতাল ও ওষুধের দোকানগুলোও বন্ধ হয়ে যেত।”

৪. অমূল্য বাণী

  • সুফইয়ান সাওরি (রা:) বলেন, ‘স্বল্প আহারে রাত জাগরণ করা যায়।’
  • সাহনুন (রা:) বলেন, ‘যে পরিতৃপ্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত আহার করে, সে ইলমের উপযুক্ত নয়।
  • উমর বিন খাত্তাব (রা:) বলেন, ‘তোমরা অতিভোজনের ব্যাপারে সতর্ক থেকো। কারণ, এর ফলে সালাতে অলসতা তৈরি হয়। শরীর ভারী হয়ে যায় এবং বিভিন্ন রোগব্যাধি তৈরি হয়। তোমরা নিজেদের শক্তির ব্যাপারে অবশ্যই নিয়ত করবে। এর ফলে অপচয় থেকে দূরে থাকা যায় এবং শরীর সুস্থ থাকে এবং ইবাদতেও শক্তি অর্জিত হয়। বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত ধ্বংস হয় না, যতক্ষণ না তার দ্বীনের ওপর কামনাবাসনা প্রবল হয়।’
  • কাজি ইয়াজ (রা:) বলেন, ‘আরবগণ ও জ্ঞানীগণ সব সময় স্বল্প আহার ও স্বল্প নিদ্রার প্রশংসা করতেন এবং এই দুটির আধিক্যকে সব সময় তিরস্কার করতেন।’
  • সালামা বিন সাইদ (রা:) বলেন, ‘মানুষ যদি গুনাহের মতো অতিভোজনে তিরস্কৃত হতো, তাহলে সে আমল করত।’
  • মালিক বিন দিনার (রা:) বলেন, ‘মুমিনের একমাত্র চিন্তা তার পেট হওয়া উচিত নয় এবং তার ওপর তার প্রবৃত্তি যেন প্রবল না হয়।’
  • মুহাম্মাদ বিন ওয়াসি’ বলেন, ‘যার ভোজন কম, সে নিজে বুঝেছে, অন্যকে বুঝাতে পেরেছে; সে স্বচ্ছ হয়েছে এবং রিজিক পেয়েছে। আর অতিভোজন ভোজনকারীকে অনেক টার্গেট পূরণের ক্ষেত্রে ভারী করে তোলে।’
  • আবু হামিদ গাজালি (রা:) বলেন, ‘বলা হয়ে থাকে যে, অধিক আহারে ছয়টি মন্দ বিষয় রয়েছে: প্রথমত, অন্তর থেকে আল্লাহর ভয় চলে যায়। দ্বিতীয়ত, তার হৃদয় থেকে সৃষ্টির প্রতি দয়া উঠে যায়। কারণ, সে ধারণা করে যে, তাদের সবাই পরিতৃপ্ত। তৃতীয়ত, শরীর ভারী হয়ে যাওয়ার দরুন ইবাদত করতে কষ্ট হয়। চতুর্থত, সে যখন প্রজ্ঞাপূর্ণ কোনো বাণী শ্রবণ করে, তখন নিজের মাঝে কোনো কোমলতা উপলব্ধি করতে পারে না। পঞ্চমত, সে যখন উপদেশ বা হিকমতপূর্ণ কথা বলে, তখন তা মানুষের হৃদয়ে প্রভাব ফেলে না। ষষ্ঠত, তার মাঝে বিভিন্ন ব্যাধির উদ্ভব হয়।

৫. একটি চমৎকার কাহিনি

নবিজি (সা:)-এর নিকট সাতজন লোক আসলো। প্রত্যেক সাহাবি একজন করে (মেহমানদারির) দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। নবিজি (সা:) ও একজনের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। তিনি লোকটিকে জিজ্ঞেস করলেন, “তোমার নাম কী?” সে বলল, “আবু গজওয়ান।” বর্ণনাকারী বলেন, তার জন্য নবিজি (সা:) সাতটি বকরির দুধ দোহন করলেন। কিন্তু সে তার সব দুধই খেয়ে ফেলল। নবিজি (সা:) তাকে বললেন, “হে আবু গজওয়ান, তুমি কি ইসলাম গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করো?” সে বলল, “হ্যাঁ।” এরপর সে ইসলাম গ্রহণ করল। নবিজি (সা:) তার বুকের ওপর হাত রেখে মুছে দিলেন। এরপর যখন সকাল হলো, তার জন্য একটি বকরি দোহন করা হলো। কিন্তু সে তার পুরো দুধ খেতে পারল না। নবিজি (সা:) বললেন, “আবু গজওয়ান, তোমার কী হয়েছে?” সে বলল, “যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন— তাঁর শপথ, আমি পরিতৃপ্ত হয়েছি।” নবিজি (সা:) বললেন, “গতকাল পর্যন্ত তোমার ছিল সাত পেটের ক্ষুধা; কিন্তু আজ (মুমিন হওয়ার কারণে) হলো তোমার এক পেটের ক্ষুধা। [তাবারানি(রা:) কৃত আল-মুজামুল কাবির: ৯৮]

৬. রমাদানে আহার

রমাদানের বরকতপূর্ণ এই মাস যেন হয় আহার কমানোর সূচনা এবং পরবর্তী সময়ে এর ওপর স্থায়ী থাকার মাধ্যম। আর এর পদ্ধতি হলো :

ইফতার

রাসুল (সা:) বলেন: যে ব্যক্তি (ইফতারের সময়) খেজুর পায়, সে যেন তা দিয়ে ইফতার করে । আর যে ব্যক্তি তা না পায়, সে যেন পানি দিয়ে ইফতার করে । যেহেতু পানি পবিত্র বা পবিত্রকারী।‘ [সহিহু ইবনি হিব্বান: ৩৫১৪]

আস-সুহুর (সাহরি)

রাসুল (সা:) বলেন: ‘তোমরা সাহরি খাও! কারণ, সাহরিতে বরকত রয়েছে।’ [সহিহুল বুখারি: ১৯২৩, সহিহু মুসলিম: ১০৯৫]

রাসুল (সা:) বলেন: তোমরা সাহরির সময় আহার করো। কারণ, এটি হলো বরকতপূর্ণ আহার।‘ [সুনানুন নাসায়ি: ২১৬৪, মুসনাদু আহমাদ: ১৭১৯২]

দুনিয়াবি বরকত হলো সাহরির খাবার সারা দিন শরীর ও কঠিন কাজের জন্য শক্তির জোগান দেয়। নবিজি (সা:) সাহরি দেরি করে খাওয়ার ফজিলত বর্ণনা করে বলেন: ‘দ্রুত ইফতার করো এবং সাহরি দেরি করে করো।‘ [আল-জামিউস সহিহ লিস সুনান ওয়াল মাসানিদ: ২৯/৩৪২]

আর আখিরাতের বরকতের ব্যাপারে নবিজি (সা:) বলেন: ‘নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা সাহরি খাওয়া লোকদের ওপর রহমত বর্ষণ করেন এবং ফেরেশতারা তাদের জন্য মাগফিরাতের দুআ করেন।’ [সহিহু ইবনি হিব্বান: ৩৪৬৭]

৭. আজ এ বিষয়ের সূর্য ডুবে গেছে

আমাদের মাঝে আজ এ রকম বহু লোক আছে, যারা শুধু খাবারের খোঁজে হোটেলের দিকে দৌড়ায়। আজ এখানে তো কাল ওখানে আহার করে। তার পেট তাকে সব সময় ব্যস্ত করে রাখে। আপনি তাকে যেকোনো খাবারের হোটেলের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে সে তার বিস্তারিত বিবরণ দিতে পারবে। রকমারি খাবারের স্বাদ আর রং আপনাকে বলে দেবে। তাদের অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, খাবার তাদের জীবন ধারণের মাধ্যম নয়; বরং এটি তাদের লক্ষ্য হয়ে গেছে! জেনে রাখুন, অধিক আহারের ফলে এসব সমস্যা তৈরি হয়:

  • অলসতার উদ্ভব হয় এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে দেহকে ব্যবহার করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। অধিক আহারের ফলে আপনি বেশি নড়াচড়া করতে পারবেন না । তন্দ্রার ভাব তৈরি হবে এবং কথা-কাজে মনোযোগ থাকবে না। আর এর ফলে সালাতে খুশু-খুজু তৈরি হবে না এবং কুরআন তিলাওয়াতেও মনোযোগ আসবে না।
  • দরিদ্রদের ব্যাপারে সহানুভূতি তৈরি হয় না এবং তাদের ওপর যে মুসিবত বা সংকীর্ণতা আসে, তার অনুভূতি থাকে না।
  • স্থূল দেহ ও অতিভোজী হয়ে যায়: বিবিসি আরবি চ্যানেল কয়েকদিন আগে এই শিরোনামে একটি লেখা প্রকাশ করেছিল, ‘ফরাসি একটি বই রমাদানে মুসলিমদের জন্য একটি সহযোগী সিস্টেম পেশ করেছে।’ এলান ডেলাবুস খাবারের ইতিহাস নিয়ে লিখিত তার গ্রন্থে বলেন, ‘লোকজন যদি সতর্ক না হয়, তাহলে রমাদান তাদের দৈহিক ওজন ও সুস্থতার সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন সমস্যার কারণ হতো। কারণ, আপনি বিশ্রামের আগে যদি দামি দামি খাবার গলাধঃকরণ করে থাকেন, তাহলে নিশ্চিত আপনি মোটা হয়ে যাবেন। কারণ, আপনি বিশ্রাম নিলে শরীর খাদ্যগুলো জমিয়ে রাখে । তবে লেখকের উপদেশ হলো, সিয়াম পালনের আগে বেশি করে সাহরি গ্রহণ করবে এবং গোশত ও শর্করাজাতীয় খাবার খাবে। আর ইফতারে মিষ্টিজাতীয় জিনিস হালকা গ্রহণ করবে এবং মাছজাতীয় খাবার কম খাবে।

৮. দুআ

হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এমন ইমান চাই, যা আমার হৃদয়কে স্পর্শ করবে এবং এমন বিনয় চাই, যা আমার দেহকে শামিল করে নেবে। হে আল্লাহ, আমি এমন শরীর চাই, যা আপনার ইবাদত করতে সক্ষম এবং বিনয়কে সংযোগ করবে। আমি আপনার কাছে ক্ষতিকর আধিক্য এবং অপর্যাপ্ততা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমার দেহকে আমার আত্মার নৌকা বানিয়ে দিন এবং আমার রুহকে আপনার কাছে পৌছার মাধ্যম বানিয়ে দিন, হে সৰ্বশ্ৰেষ্ঠ দয়ালু।

৯. স্বার্থপর হবেন না

  • কথাগুলো আপনার মসজিদের মুসল্লি ও আপনার সহপাঠী-সহকর্মীদের মাঝে আলোচনা করুন।
  • এই বইটি নিজে পাঠ করে অন্যদেরকেও পড়তে দিন; যেন তারা এর থেকে উপকৃত হতে পারে।
  • মসজিদের ইমামকেও বইটি হাদিয়া দিতে পারেন; যেন তিনি জুমআর খুতবা বা তারাবিহ-পরবর্তী আলোচনায় এর থেকে ফায়দা গ্রহণ করতে পারেন।

১০. যথেষ্ট কথা হয়েছে, এখন কাজ দেখার বিষয়

  • সবজিজাতীয় খাদ্য ও সুষম খাবারের ব্যাপারে আগ্রহী হোন। তৈলাক্ত ও ভাজা খাবার কমিয়ে দিন। বি. দ্র. স্বাভাবিক সুস্থ দেহের জন্য দৈনিক প্রয়োজন ২০০০ ক্যালোরি খাবার। আর এর অতিরিক্ত যা হয়, তার সবই চর্বি আকারে জমা হয়ে থাকে। যদি আপনি শারীরিক পরিশ্রমের কোনো কাজ করেন, তাহলে অতিরিক্ত খাবারগুলো শেষ হয়ে যাবে।
  • রমাদানের এই মাসে শরীরের জন্য আবশ্যকীয় খাবার ও পানীয় গ্রহণ করুন। আপনার প্রয়োজনের চেয়ে বেশি আহার করবেন না। শরীর যত ক্ষুধার নিকটবর্তী হবে, হৃদয় তত বিনয়ের নিকটবর্তী হবে।
  • এই মাসে আপনি ও আপনার পরিবারের অতিরিক্ত খাবারগুলো জমিয়ে রাখুন এবং তা অভাবী ও দরিদ্র লোকদের মাঝে দান করে দিন।
  • নিয়তকে নবায়ন করুন এবং যে খাবার ও পানীয় পরিত্যাগ করছেন, তার মাধ্যমে ইবাদতে শক্তি অর্জনের নিয়ত করুন । আশা রাখুন, আল্লাহ তাআলা জান্নাতে এরচেয়ে উত্তম প্রতিদান দেবেন। নিজের ইচ্ছা ও সংকল্পকে শক্তিশালী করা এবং অক্ষমতা ও দুর্বলতাকে পরাজিত করার নিয়ত করুন।
  • পানাহার ও এ জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে বেশি কথা বলবেন না। আহনাফ বিন কাইস (রা:) বলেন, ‘তোমরা নিজেদের মজলিশগুলোতে খাবার ও নারীদের আলোচনা করো না। কেননা, আমি কাউকে নিজের পেট ও লজ্জাস্থান নিয়ে আলোচনা করতে অপছন্দ করি।’

উৎস: রমাদান-আত্মশুদ্ধির বিপ্লব, পৃষ্ঠা: ১২৩ – ১৩১

Print Friendly, PDF & Email


'আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক'
প্রবন্ধের লেখা অপরিবর্তন রেখে এবং উৎস উল্লেখ্য করে
আপনি Facebook, Whatsapp, Telegram, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। ইসলামি দা’ওয়াহ্‌র ৮০ টিরও বেশী উপায়! বিস্তারিত জানতে এইখানে ক্লিক করুন "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]

দ্বীনী খিদমায় অংশ নিন

আপনার মন্তব্য লিখুন